সন্ধ্যা নামার ঠিক আগে আমরা পৌঁছালাম ওয়াই জংশন পাড়ায়। মেনলে দাদা বারান্দায় বসে বাঁশি বাজাচ্ছিলেন — প্লুং, ম্রোদের ঐতিহ্যবাহী বাঁশি।

রাতের খাবার জুমের লাল চালের ভাত, বাঁশ কোড়ল স্যুপ আর জংলি মাশরুম ভাজি। রান্না সাধারণ, স্বাদ অসাধারণ — কারণ প্রতিটি উপকরণ সেদিনই জুম থেকে আনা।

ভোর ৫টা দাদার ডাকে ঘুম ভাঙল। বারান্দায় এসে দাঁড়াতেই দেখি — পুরো উপত্যকা মেঘে ঢাকা। আমরা দাঁড়িয়ে আছি মেঘের সমুদ্রের ওপরে। সূর্য উঠল, মেঘগুলো সোনালি হয়ে গেল। জীবনে দেখা সবচেয়ে সুন্দর ভোর।

কেন যাবেন হোটেলের জানালা দিয়ে পাহাড় দেখা আর পাহাড়ি পরিবারের মাচাংয়ে শুয়ে পাহাড়ের অংশ হয়ে যাওয়া — দুটো সম্পূর্ণ আলাদা অভিজ্ঞতা। দ্বিতীয়টার জন্যই পাহাড়ের অতিথি।